সেন্টমার্টিন্সের মৃত কচ্ছপ

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল ছাড়া এত বড় কচ্ছপ এর আগে দেখেছি বায়েজিদ বোস্তামীর মাজারে। ওগুলো পোষা – ভক্তদের পাউরুটির উপর নির্ভর করে বেঁচে আছে। ছবির এই কচ্ছপ সামুদ্রিক। মৃত। সেন্টমার্টিনে দুই দিনে আমি দেখেছি দুটো মৃত কচ্ছপ।Mohammad Arju বলেন, দ্বীপটি ঘিরে গভীর সাগর জলের তলদেশে প্রাণ ও প্রকৃতির বিপন্ন অবস্থা। অনেকদিন সৈকতে আমাদের দেখতে হয়েছে বিপন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপ ও ডলফিনের মৃতদেহ। যারা জীবিত আসে সৈকতে, ডিম পাড়তে তাদেরও নিস্তার নেই। দ্বীপে এমন পরিবেশ বিধ্বংসী পর্যটন গড়ে উঠেছে, নানা কৃত্রিম কাঠামো, অনেক বেশি আলো, ডিজেল জেনারেটরের শব্দ ও লাউড স্পিকারের কান ফাটানো আওয়াজে ডিম পাড়তে আসা কচ্ছপের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। অনেক হোটেল মালিক নিজেদের সুবিধার জন্য সাগর থেকে পাথর তুলে এনে নিচু দেয়ালের মতো গড়ছে সৈকতে, যার কারণে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে কচ্ছপরা।

ছেড়াদ্বীপে যাওয়ার পথে চোখে পড়ল টার্টল হ্যাচারী। বেশ বড় জায়গার উপর চমৎকার জঙ্গলের ভিতরে এক-দুই তলা লাল ইটের বাড়ি। কচ্ছপ রাখার জন্য একটা খাঁচাও চোখে পড়ল, কচ্ছপ পাওয়া গেল না। মানুষজনও না। জায়গাটা পরিত্যাক্ত। আরজু ভাই যদি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারে।

About দারাশিকো

নাজমুল হাসান দারাশিকো। প্রতিষ্ঠাতা ও কোঅর্ডিনেটর, বাংলা মুভি ডেটাবেজ (বিএমডিবি)। যোগাযোগ - [email protected]

View all posts by দারাশিকো →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *